শাহরিয়ার ইসলাম শাওনের বিরুদ্ধে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহির (Mahiya Mahi) তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলাটি চূড়ান্ত প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন মহানগর হাকিম আদালত।
ঢাকা মহানগর হাকিম সাজ্জাদুর রহমান মঙ্গলবার পুলিশের দাখিল করা চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি ‘দেখিলাম’ বলে স্বাক্ষর করে মামলাটি বদলির এ আদেশ দেন। আইন অনুযায়ী মামলাটি বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালে পাঠাবে আদালত। আর সেখানে চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করবে কি না সে বিষয় আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল।
এর আগে ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালতের সংশ্লিষ্ট জিআর শাখায় চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক সোহরাব মিয়া।
প্রতিবেদনে বলা হয়, চিত্রনায়িকা শারমিন আক্তার নিপার (মাহিয়া মাহি) সঙ্গে শাহরিয়ার ইসলাম শাওনের বিয়ে হয়। তারা দু’জন কিছুদিন সংসারও করেছিলেন। মামলার সপক্ষে শাওনের বিরুদ্ধে মাহি কোনো সাক্ষী উপস্থাপন করতে পারেননি। এ ছাড়া তদন্ত কর্মকর্তা শাওনের ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিতে মাহির মানহানিকর কিছু পায়নি। কারণ তাদেন মধ্যে পূর্বে বিবাহের ছবিগুলো পোস্ট করা হয়। তদন্তে বিবাহের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই তথ্যগত ভুলের কারণে এ মামলার দায় থেকে শাওনকে অব্যাহতি প্রদানের আবেদন করেছে পুলিশ।
এর আগে গত বছরের ২৮ মে শাওনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে দুদিনের রিমান্ড দেন ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত। রিমান্ড শেষে ৩১ মে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত। ১৬ জুন বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কে এম সামছুল আলম শাওনকে জামিন দেন।
এ মামলায় শাওন দু’দিনের রিমান্ডে ছিলেন। তিনি ২০ দিন কারাগারেও ছিলেন।
মামলার বিবরণ থকে জানা যায়, গত ২৭ মে চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় হাজির হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে শাহরিয়ার ইসলাম শাওনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
তিনি মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, ‘আমার পূর্বপরিচিত (বন্ধু) শাহরিয়ার ইসলাম শাওন তার কাছে থাকা আমাদের কিছু অন্তরঙ্গ স্থিরচিত্র কয়েকটি আনলাইন ও ফেসবুকের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়েছেন। এ বিষয় তার সঙ্গে তার বন্ধু হাসান, আল-আমিন, খালাতো ভাই রেজওয়ান জড়িত রয়েছে বলে আমার ধারণা। গত ২৫ মে আমার অন্যত্র বিবাহ হয়। আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য এবং সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করতে এসব কাজ করেছেন শাওন।’
তবে পুলিশেন দাখিল করা চুড়ান্ত প্রতিবেদন ও এতে শাওনের সাথে মাহির বিবাহের কথা উল্লখ করা হলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি মাহির।


No comments:
Post a Comment