অনেক ‘প্রথম’কে সঙ্গী করেই জীবন কাটাতে হয়। নিতে হয় অভিজ্ঞতা। তারকাদের জীবনেও এমন প্রথম অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁদের এমন প্রথম পাঁচটি অভিজ্ঞতা নিয়েই ‘প্রথম পাঁচ’। আজ এই বিভাগে থাকছেন অভিনয়শিল্পী জান্নাতুল পিয়া
প্রথম র্যাম্পে
প্রথম র্যাম্পে হেঁটেছিলাম ২০০৮ সালে। ঢাকার র্যাডিসন হোটেলে একটি ইংরেজি সাময়িকীর আয়োজনে ফ্যাশন শোতে। তখন আমি সবেমাত্র উচ্চমাধ্যমিক প্রথম বর্ষে পড়ছি। প্রচণ্ড নার্ভাস ছিলাম সেদিন। আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, এ পর্যন্ত দেশে-বিদেশে বহু র্যাম্পে হেঁটেছি আমি। যতবার হেঁটেছি, প্রতিবারই আমার একই রকম নার্ভাস লাগে।
প্রথম কেনা উপহার
জীবনে প্রথম উপহারটি কিনেছিলাম মায়ের জন্য। মা বই পড়তে খুব ভালোবাসেন। ছোটবেলায় আমাকেও অনেক বই কিনে দিতেন তিনি। তাই ঠিক করেছিলাম, মায়ের জন্মদিনে আমিও তাঁকে বই উপহার দেব। শৈশবে নিজের জমানো টাকা দিয়ে মায়ের জন্য একটি বই কিনেছিলাম। বইটির নাম এখন আর মনে নেই।
প্রথম সিনেমা দেখা
খুব ছোটবেলায় হলে গিয়ে প্রথম সিনেমা দেখেছিলাম। হয়তো নার্সারিতে পড়ি। পরিবারের সঙ্গে দেখেছিলাম সালমান শাহ ও শাবনূর অভিনীত স্বপ্নের নায়ক সিনেমাটি। আমি কিন্তু সালমান শাহর মস্ত বড় ভক্ত ছিলাম। তিনি এখনো আমার প্রিয়। ছোটবেলায় দেখতাম আমার ফুফুরা সবাই মিলে সালমান শাহর সিনেমা দেখছেন। আমি প্রায়ই ভিড়ে যেতাম তাঁদের দলে। সেই থেকেই সালমানের ভক্ত হয়ে যাই।
প্রথম অভিনয়
র্যাম্প থেকে সরাসরি বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছিল আমার। রেদওয়ান রনির চোরাবালি ছবিতে অভিনয়ের আগে কোনো দিন নাটকেও অভিনয় করিনি। আর বড় পর্দা তো বিশাল ব্যাপার। সেখানেও আমি প্রচণ্ড নার্ভাস ছিলাম। ভয় পাচ্ছিলাম, কারণ প্রথম দৃশ্যটিই ছিল শহীদুজ্জামান সেলিমের সঙ্গে। সিনিয়র অভিনয় শিল্পী আর এত ভালো অভিনেতা তিনি, তাঁর সঙ্গে কীভাবে অভিনয় করব সেটা চিন্তা করেই খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু সেলিম ভাই সে সময় আমাকে ভীষণ সহযোগিতা করেছিলেন। পরে আর অসুবিধা হয়নি।
প্রথম প্রেম
তখন পড়ি ক্লাস নাইনে। কোচিং করতে গিয়ে আমার থেকে বছরখানেকের বড় এক ছেলের প্রেমে পড়ে যাই। ছেলেটা বেশ সুদর্শন ছিল। আমার বন্ধুবান্ধবেরা ছেলেটিকে খুব পছন্দ করত। এ জন্যই মনে হয় আরও বেশি আগ্রহী হয়েছিলাম। কিশোর বয়সের ভালো লাগা তো এমনই হয়। এরপর যাঁর প্রেমে পড়ি, তাঁর নাম ফারুক হাসান। তাঁর সঙ্গেই এখন সংসার করছি।


No comments:
Post a Comment