বাংলাদেশের শতকরা ৮৭ ভাগ নারী কোন না কোনভাবে পরিবারের সদস্যদ্বারা নির্যাতনের শিকার হয়। যৌতুক, শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার, যৌন নির্যাতন ইত্যাদি পরিবারের ভেতরেই ঘটে। কেয়ার নারী নির্যাতন প্রতিরোধে পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ আইন ২০১০ প্রতিষ্ঠা করার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ২৫ টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ এগেইন্সট ডোমেস্টীক ভায়োলেন্স (সিআইডিভি) এই আইন প্রতিষ্ঠা করতে জোরালো ভূমিকা রাখছে।
তবে এই আইন তখনি কার্যকর হবে যখন নারীরা এর দ্বারা সুরক্ষা পাবে। আর সেজন্য প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ অত্যাবশ্যক। এজন্য আগে পারিবারিক নির্যাতন কি সেটা বুঝতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে সমাজের নারী-পুরুষ সবাইকে, বিশেষত যুব সমাজকে। নির্যাতনের এই চিত্রকে বদলাতে প্রয়োজন তরুণদের। তারুণ্যই পারে সমাজের সকল অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। এরাই পারে তাদের সমাজে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে।
পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে তরুণদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা ও নন্দিত পরিচালক অমিতাভ রেজা নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী হবে ৭ ডিসেম্বর বুধবার বিকাল ৪ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালেয়র টিএসসি অডিটোরিয়ামে। এই প্রামাণ্যচিত্রের মূল উদ্দেশ্য হল তরুণদের এই বিষয়ে সচেতন করা ও তারা যাতে নির্যাতন প্রতিরোধে উদ্যোগী হয়, তা নিশ্চিত করা। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই পারে এই ভয়াবহ অবস্থাকে বদলে দিতে।
কেয়ারের এই আয়োজন অবশ্যই তরুণদের পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে উদ্বুদ্ধ করবে। মূলত সারভাইভারদের জীবনের সত্য ঘটনা ও এই আইনের প্রধান ধারা গুলো নিয়েই এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রদর্শনীর পর মুক্ত আলোচনার ব্যবস্থাও থাকবে যাতে করে তরুণরা ভালভাবে এই আইনের ব্যাপারে জানে ও বোঝার সুযোগ পায়।


No comments:
Post a Comment