Anima Roy। সঙ্গীত বিভাগের প্রধান ও রবীন্দ্রসঙ্গীতশিল্পী। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো আয়োজিত দুই দিনব্যাপী 'আন্তর্জাতিক সঙ্গীত উৎসবে'র আহ্বায়ক তিনি। উৎসব ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বললেন তিনি_
আন্তর্জাতিক সঙ্গীত উৎসবের আজকের পরিকল্পনা কেমন?
আজ উৎসবের সমাপনী পর্বে থাকছে উচ্চাঙ্গসঙ্গীত, রবীন্দ্র ও নজরুল সঙ্গীত, দেশের গান এবং যন্ত্রানুষঙ্গ পরিবেশনা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান। এ ছাড়াও অংশগ্রহণ করবে ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গীত বিভাগ। আজ সঙ্গীত পরিবেশন করবেন সুবীর নন্দী, চন্দনা মজুমদার, সাদী মহম্মদ ও লাইসা ইসলাম লিসা।
উৎসবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের কোন কোন শিল্পী থাকছেন?
গতকাল চীন ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গীতশিল্পীদের পরিবেশনা ছিল। আজ ভারতের শিল্পী সব্যসাচী সেতার পরিবেশন করবেন। সামনের বার আরও অনেক দেশের শিল্পী এ আয়োজনে যুক্ত হবেন বলে আশা করছি।
ধারাবাহিকভাবে এ উৎসব আয়োজনের ইচ্ছা আছে?
গত বছর রবীন্দ্রসঙ্গীত উৎসবের মাধ্যমে এ আয়োজন করেছিলাম। এ বছর ব্যাপ্তি বাড়িয়ে আন্তর্জাতিক সঙ্গীত উৎসব আয়োজন করা। এখন থেকে বিভাগের বার্ষিক উৎসব হিসেবে প্রতি বছরই এটি আয়োজনের ইচ্ছা আছে।
উৎসবে আপনার পরিবেশনা নিয়ে বলুন_
প্রথম দিন ব্যস্ততার কারণে আমি মঞ্চে উঠতে পারিনি। আজ বিভাগের শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথের স্বদেশ ও প্রকৃতি পর্বের দুটি গান করার ইচ্ছা আছে। স্বাধীনতার মাস বলেই এ গানগুলো বেছে নিয়েছি। আর বিভাগীয় প্রধান হিসেবে সঙ্গীত বিভাগের পরিবেশনার সঙ্গেও থাকছি।
এ উৎসব সঙ্গীত বিভাগকে কতটুকু সমৃদ্ধ করছে বলে মনে করেন?
এ উৎসবের মাধ্যমে চারিদিকে সুরের আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীরা সামনা-সামনি বসে বিভিন্ন দেশের শিল্পীদের গান শুনতে পারছে। ফলে এক দেশের সঙ্গে অন্য দেশের সংস্কৃতির মেলবন্ধনও সম্ভব হয়ে উঠছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সুরের কোনো নিজস্ব দেশ নেই। যে কোনো দেশের সুর নিজস্ব আদলে ব্যবহার করা যায়।


No comments:
Post a Comment