সোহানা সাবা (Sohana Saba)। অভিনেত্রী, মডেল ও নৃত্যশিল্পী। সম্প্রতি এটিএন বাংলায় প্রচার শুরু হয়েছে তার অভিনীত প্রথম রেডিওভিত্তিক ধারাবাহিক নাটক 'রেডিও জকি এবং কতিপয় গল্প'। এ ছাড়া দীপ্ত টিভিতে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত 'খেলাঘর' নাটকটি। অভিনয় ও অন্যান্য ব্যস্ততা নিয়ে কথা বললেন তিনি_
নাটকে আরজে হওয়ার অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
এ নাটকের কাজ করেছিলাম বেশ আগে। এর কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় ছিলেন মুরাদ পারভেজ। প্রথমবারের মতো বেসরকারি এফএম রেডিও জকি এবং তার কর্মক্ষেত্রের জটিলতা, পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ও ব্যক্তিগত টানাপড়েন এ নাটকে ফুটে উঠেছে। নাটকে আমায় খেয়া নামের এক রেডিও জকির ভূমিকায় দেখা যাবে। সে 'আমি হব সকাল বেলার পাখি' নামে একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে। কর্মক্ষেত্রে খেয়ার সাফল্যের জন্য অন্য কলিগরা তার বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি শুরু করে। অন্য জকিদের ছল-চাতুরী ও তাদের অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা নিয়েই নাটকটির গল্প এগিয়ে যায়।
দীপ্ত টিভির 'খেলাঘর' ধারাবাহিকটি নিয়ে বলুন।
'খেলাঘর' নাটকে আমার অভিনীত চরিত্রটি একেবারে আইডল চরিত্র। একটা মেয়ের যা যা ভালো গুণ থাকা প্রয়োজন, তার সবই আছে তার মধ্যে। নাটকটি নিয়ে দর্শক প্রতিক্রিয়াও বেশ ভালো পাচ্ছি। পরিচিত অনেকেই এ ধরনের চরিত্রে নিয়মিত কাজ করার কথা বলেছেন। তবে আমি নির্দিষ্ট ঘরানায় আটকে থাকতে চাই না।
আপনার অভিনীত চলচ্চিত্র 'প্রাচীর পেরিয়ে' কবে মুক্তি পাবে?
সরকারি অনুদানে নির্মিত এই ছবিটির কাজ শেষ করেছি গত বছর। পরিচালক শাহনূর রিপন গৎবাঁধা প্রেমের গল্পের বিপরীতে শিশুদের মানসজগৎ ও নানা প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরেছেন এই ছবিতে। এতে আমার সহশিল্পী চিত্রনায়ক ফেরদৌস। পরিচালকের কাছে শুনেছি, চলতি বছরের মাঝামাঝি ছবিটি মুক্তি পাবে।
বিকল্প ধারার ছবি নিয়ে আপনার ভাবনা কেমন?
আমার ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বিকল্প ধারার ছবিতেই বেশি কাজ করেছি। এজন্য নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। কারণ ব্যক্তিগতভাবে যে ধরনের ছবিতে কাজ করতে চেয়েছি, সে রকম ছবিতে সুযোগ পেয়েছি। তাই অভিনেত্রী সাবার আলাদা এক গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে কলকাতার অয়ন চক্রবর্তীর 'ষড়রিপু'র কাজের পর বিকল্প ও বাণিজ্যিক ধারার ধারণা পাল্টে গেছে। তারা সচেতনভাবে বাণিজ্যিক এবং বিকল্পধারা নিয়ে না ভেবে পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে কাজ করেন। আমাদের এখানে 'আয়নাবাজি' তার একটি উদাহরণ।
সংসার নিয়ে কিছু ভাবছেন?
এ মুহূর্তে সন্তানসহ মায়ের সঙ্গে থাকছি। নিজের অভিনয়, মিটিং, জিম ও অন্যান্য ব্যস্ততায় দিন চলে যায়। নিজের মতো বেঁচে থাকার স্বাদ পাচ্ছি। শুটিং থাকলে শুটিং করছি। নিজেকে বেশি বেশি সময় দিচ্ছি।


No comments:
Post a Comment