নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে আট উইকেটে ৫৯৫ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। যদিও শেষ পর্যন্ত হারের স্বাদই পেতে হয় সফরকারীদের। তবে দ্বিতীয় টেস্টে এসে যেন অচেনা হয়ে উঠলো বাংলাদেশের ব্যাটিং। প্রথম ইনিংস শেষে সবকটি উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২৮৯ রান।
ইনজুরির কারণে নিয়মিত অধিনায়ক মুশফিকুর রহিম, ওপেনার ইমরুল কায়েস, নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান মুমিনুল হককে ছাড়াই মাঠে নামে বাংলাদেশ। তবুও সৌম্য সরকার, সাকিব আল হাসান ও অভিষিক্ত নুরুল হাসান সোহানের ব্যাটে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখলেও শেষ পর্যন্ত ২৮৯ রানে থামে সফরকারীদের প্রথম ইনিংস।
শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রাইস্টচার্চ টেস্টের প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৮৯ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। দীর্ঘদিন পর টেস্ট একাদশে ফিরেই ৮৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দিয়েছেন সৌম্য।হাফসেঞ্চুরি করেন প্রথম টেস্টের ডাবল সেঞ্চুরিয়ান সাকিব। এছাড়াও অভিষিক্ত সোহান খেলেন ৪৭ রানের ইনিংস।
দলীয় ৩৮ রানের মাথায় অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ফেরেন সাজঘরে। এরপর দলের হাল ধরেন সৌম্য-সাকিব। দুজনে গড়েন ১২৭ রানের জুটি। তবে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১৪ রান বাকি থাকতে কলি ডি গ্র্যান্ডহোমের বলে ফিরে যানে সৌম্য। তার ৮৬ রানের ইনিংসে ছিল ১১টি চারের মার। এরপর ক্রিজে আসা সাব্বির রহমানও বেশিক্ষন টিকতে পারেননি।
ব্যক্তিগত সাত রানে সাব্বিরও শিকার হন বোল্টের। সাব্বিরের পর ক্যারিয়ারের ২০ তম হাফসেঞ্চুরি করা সাকিবও সাজঘরে ফেরেন। টিম সাউদির বলে আউট হওয়ার আগে সাকিবের ৫৯ রানের ইনিংসে ছিল নয়টি চারের মার। দ্রুতই তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশের হাল ধরেন এই টেস্ট দিয়েই অভিষেক ঘটা নাজমুল হোসেন শান্ত ও সোহান।
শান্ত-সোহানের ৫৩ রানের জুটিতে চাপ কাটিয়ে ওঠে বাংলাদেশ। কিন্তু, আবারও দ্রুত তিন উইকেট হারিয়ে ঘটে ছন্দপতন! ৫৬ বলে ১৮ রান করে সাউদির বলে জিৎ রাভালের হাতে ধরা পড়েন শান্ত। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ১০ ও তাসকিন আহমেদ আট রান করে মাঠ ছাড়েন। এরপর পেসার কামরুল ইসলাম রাব্বিকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন সোহান।
যদিও ব্যক্তিগত ৪৭ রানের মাথায় বোল্টের চতুর্থ শিকারে পরিণত হন সোহান। শেষদিকে রুবেল হোসেন ও রাব্বির ব্যাটে ২৮৯ রানে থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। কিউই পেসার টিম সাউদি একাই নেন পাঁচটি উইকেট। এছাড়া ট্রেন্ট বোল্ট নেন চার উইকেট।


No comments:
Post a Comment