
ঘোষণটা এসেছিল সেই বেশ কয়েক বছর আগেই। সবাইকে অবাক করে দেওয়ার মতো সেই ঘোষণাতে বাপ্পা মজুমদার বলেছিলেন, ‘স্টেজ শো গুলোতে যে গানগুলো গাওয়া হয় স্টেজ শো শেষে তা থেকে প্রাপ্ত সম্মানীর একটি অংশ তিনি গানগুলোর গীতিকারদের মধ্যেও বণ্টন করবেন।
ঘোষণা দিয়েই বসে ছিলেন না তিনি। নিয়মিত দিয়ে এসেছেন
গীতিকারদের রয়্যালিটি।
সম্প্রতি এমনটিই জানিয়েছে বাপ্পা মজুমদারের ব্যান্ডের (দলছুট ও বাপ্পা
এন্ড ফ্রেন্ডস) ম্যানেজার শাহান কবন্ধ। তিনি জানান বাপ্পার কণ্ঠে
জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা ‘পরী’ গানের গীতিকার রানা গত ৩০ মে দ্বিতীয়বারের
মতো টাকা তুলেছেন। টাকা তুলেছেন আরও অনেকেই। এবং এটি চলমান থাকবে।
এদিকে বাপ্পার এমন পদক্ষেপে খুশি গীতিকাররাও। একটি গানের পেছনে একজন
সুরকার, শিল্পীর যত অবদান থাকে গীতিকারের অবদান তার চেয়ে কোন অংশেই কম থাকে
না। কিন্তু সবসময়ই পিছিয়ে থাকেন তারা। এমন অবস্থায় বাপ্পার এমন উদ্যোগ এবং
তার বাস্তবায়ন সাধুবাদ পাচ্ছে সকলের কাছ থেকে। এমন অনন্য দৃষ্টান্ত থেকে
অনুপ্রাণিত হয়ে অন্য সকল শিল্পীও এভাবে এগিয়ে এলে তা সঙ্গীতাঙ্গনের জন্যই
ভালো হবে বলে বিশ্বাস সকলের। কারণ গীতিকার ভালোভাবে বাঁচলেই ভালো গান লিখতে
অনুপ্রাণিত হবে, সমৃদ্ধ হবে সঙ্গীতাঙ্গন।

No comments:
Post a Comment