প্রথম ছবি ‘দাবাং’, প্রথম নায়ক সালমান খান। বলিউডে তিনি যেন ঝড় তুলেই তাঁর উপস্থিতি জানান দিয়েছিলেন। সোনাক্ষী সিনহা যে তাঁর মা-বাবার খুব আদরের; বিষয়টা কমবেশি সবাই জানেন। কিন্তু সম্প্রতি সোনাক্ষী যে কথা জানিয়েছেন তাতে সবাই বুঝবেন কেন এখনো বাবা-মার কাছে তিনি সেই ছোট্ট সোনাক্ষী হয়েই আছেন।
চলচ্চিত্রে
তাঁর অভিষেক রীতিমতো রাজকীয়ভাবেই হয়েছিল। এরই মধ্যে বলিউডে তাঁর জায়গাটাও
বেশ পাকাপোক্ত হয়ে গেছে। ছবিতে কাজ করে সম্মানী বা পারিশ্রমিকও কম পাচ্ছেন
না। দিন কয়েক আগে এই দাবাং তারকা জানিয়েছেন, এখন পর্যন্ত তিনি তাঁর
পারিশ্রমিকের পুরো টাকাই মার হাতে তুলে দেন। আর যখন টাকার প্রয়োজন পড়ে সে
সময় চেয়ে নেন।
এত বড় নায়িকা, এত আয় তাঁর, এত খ্যাতি— এসবের কারণে একটু বিগড়ে তো যেতেই পারতেন তিনি। কিন্তু বিগড়ে যাওয়ার কোনো সুযোগই নেই সোনাক্ষীর। এখনো তিনি মা-বাবার কথাতেই চলেন।
নিজের প্রথম পারিশ্রমিক প্রসঙ্গে সোনাক্ষী জানিয়েছেন, তিন হাজার রুপি ছিল তাঁর প্রথম পারিশ্রমিক। একটি ফ্যাশন শোতে সহযোগী ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করে সেই টাকা আয় করেছিলেন তিনি। সেবারও তিন হাজার রুপির চেকটি পেয়ে লক্ষ্মী মেয়ের মতো মায়ের হাতেই তা তুলে দিয়েছিলেন। এমনকি সবশেষ পাওয়া ‘আকিরা’ ছবির জন্য পাওয়া চেকটিও তিনি মায়ের হাতেই তুলে দিয়েছেন তিনি।
সোনাক্ষী বলেন, ‘কখনোই পারিশ্রমিকের টাকা নিজের কাছে রাখার চিন্তাও করতে পারি না। নিজের প্রয়োজন হলে মায়ের কাছ থেকে চেয়ে হাত খরচা নিই। কিন্তু এত টাকা-পয়সার হিসাব! সে আমার দ্বারা হবে না।
এত বড় নায়িকা, এত আয় তাঁর, এত খ্যাতি— এসবের কারণে একটু বিগড়ে তো যেতেই পারতেন তিনি। কিন্তু বিগড়ে যাওয়ার কোনো সুযোগই নেই সোনাক্ষীর। এখনো তিনি মা-বাবার কথাতেই চলেন।
নিজের প্রথম পারিশ্রমিক প্রসঙ্গে সোনাক্ষী জানিয়েছেন, তিন হাজার রুপি ছিল তাঁর প্রথম পারিশ্রমিক। একটি ফ্যাশন শোতে সহযোগী ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করে সেই টাকা আয় করেছিলেন তিনি। সেবারও তিন হাজার রুপির চেকটি পেয়ে লক্ষ্মী মেয়ের মতো মায়ের হাতেই তা তুলে দিয়েছিলেন। এমনকি সবশেষ পাওয়া ‘আকিরা’ ছবির জন্য পাওয়া চেকটিও তিনি মায়ের হাতেই তুলে দিয়েছেন তিনি।
সোনাক্ষী বলেন, ‘কখনোই পারিশ্রমিকের টাকা নিজের কাছে রাখার চিন্তাও করতে পারি না। নিজের প্রয়োজন হলে মায়ের কাছ থেকে চেয়ে হাত খরচা নিই। কিন্তু এত টাকা-পয়সার হিসাব! সে আমার দ্বারা হবে না।

No comments:
Post a Comment