'শোলে'র জয়-বীরুর সম্পর্ককে বলা হয় রিল লাইফের শ্রেষ্ঠ বন্ধুত্ব। সেই সম্পর্ক যাঁরা রিয়েলে মেনেছিলেন তাঁদের নামও প্রায় সকলেরই জানা। সলমন খান এবং সঞ্জয় দত্ত। দুঃখ সুখে একে অন্যকে সব সময় পাশে পেয়েছেন।
বলিউডের এই বন্ধুত্ব অনেকের মুখেই ঘোরাফেরা করে। কিছুদিন আগেই সঞ্জয় দত্ত ছাড়া পেলেন জেল থেকে। গোটা বলিউড হাজির হয়েছিল তার বাড়িতে। ছিলেন না সলমন। সত্যিই কী ভাঙন ধরেছে এই দুজনের বন্ধুত্ব? কী এমন ঘটে গেল হঠাৎ? প্রিয় বন্ধু ছাড়া পেল, আর এক বন্ধু দেখাই করল না।
আর এই 'কোল্ড ওয়ার' এর সুরাহা না হতে হতেই আরেক কাণ্ড। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে আসেন মুন্না ভাই। র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তাঁর কাছে উপস্থিত হয় একের পর এক প্রশ্ন। এমনই একটা প্রশ্নে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল একটি বিশেষণ যা সলমন খানের সঙ্গে যায়। তাতে সঞ্জু বাবা উত্তর দেন-'দাম্ভিক'।
এই প্রথম বার হয়তো সলমনের নামে কোনও নেগেটিভ কথা বললেন তাঁর এক সময়ের প্রিয় বন্ধু। তাও আবার প্রকাশ্যে। তবে সলমন যে কেন সঞ্জুবাবাকে এড়িয়ে চলেছেন, সে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। প্রিয় বন্ধু জেল থেকে এলেই সলমন তাঁর নিজের বড়িতে পার্টি দেবেন, এই খবরই ছিল বলি পাড়ায়। কিন্তু শেষমেশ তা হয়নি।
আর এই 'কোল্ড ওয়ার' এর সুরাহা না হতে হতেই আরেক কাণ্ড। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাতকার দিতে আসেন মুন্না ভাই। র্যাপিড ফায়ার রাউন্ডে তাঁর কাছে উপস্থিত হয় একের পর এক প্রশ্ন। এমনই একটা প্রশ্নে তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল একটি বিশেষণ যা সলমন খানের সঙ্গে যায়। তাতে সঞ্জু বাবা উত্তর দেন-'দাম্ভিক'।
এই প্রথম বার হয়তো সলমনের নামে কোনও নেগেটিভ কথা বললেন তাঁর এক সময়ের প্রিয় বন্ধু। তাও আবার প্রকাশ্যে। তবে সলমন যে কেন সঞ্জুবাবাকে এড়িয়ে চলেছেন, সে ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি। প্রিয় বন্ধু জেল থেকে এলেই সলমন তাঁর নিজের বড়িতে পার্টি দেবেন, এই খবরই ছিল বলি পাড়ায়। কিন্তু শেষমেশ তা হয়নি।
এরপরও অনেক সুযোগই হয়েছে 'সাজন' এর দুই তারকার দেখা হওয়ার। তবে সে দেখা হয়নি। ইচ্ছাকৃতই একে অপরকে এড়িয়ে গিয়েছেন। শোনা যাচ্ছিল সঞ্জয়ের স্ত্রীও নাকি অনেক চেষ্টা করছেন, দুই বন্ধুকে এক করবার। কিন্তু সেই সব চেষ্টাই বৃথা হয়েছে। আর তারপর তো সঞ্জয়ের এই র্যাপিড উত্তর আরও ভাল ভাবে বুঝিয়ে দিচ্ছে, দু’জনের সম্পর্কের তিক্ততা।


No comments:
Post a Comment